সারাপোভার অপেক্ষাঃ ২য় ইউ এস ওপেন টাইটেল
কাধের ইঞ্জুরি থেকে পুরোপুরি সেরে উঠেছেন রাশিয়ান টেনিস তারকা মারিয়া সারাপোভা। আর তাইতো তার সামনে শুধু অপেক্ষার পালা। চোখে আরেক নতুন টাইটেলের স্বপ্ন দেখা। ভক্তরা তো বটেই। রোটেটর কাফ অপারেশনের কারণে আগের বার ফ্লাশিং মিডোস সারাপোভার পক্ষে না গেলেও এবারে কিন্তু ভক্তদের চোখ সারাপোভার মতই রঙ্গিন। টিকিট হাতে দিন গুনছেন তারা। সারাপোভাও নিচ্ছেন প্রস্তুতি। ২০০৮ এর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টাইটেল ধারী ২৩ বছর বয়সী এই তরুন খেলোয়াড় সাংবাদিকদের বলেছেন, " এ বছর আমার মনে হচ্ছে , আমি ভাল একজন প্রতিদ্বন্দ্বী; ইনজুরির চিন্তা নেই বলে খেলা উপভোগ করছি ।"
১৭ বছর বয়সে ২০০৪ সালে সারাপোভা পেয়েছিলেন প্রথম গ্রান্ডস্লাম। উইম্বল্ডন চ্যাম্পিয়ান। এরপর থেকেই মিডিয়া ছুটেছে তার দিকে আর তিনি ছুটেছেন সাফল্যর দিকে। ২০০৬ এ ইউ এস ওপেন, ২০০৭ এ ফ্রেঞ্চ ওপেন, ২০০৮ এ অস্ট্রেলিয়ান ওপেন সহ তার ক্যারিয়ারের ২২ টি টাইটেল যেন তাই ইঙ্গিত দেয়।
এ মাসে ওহাইও স্টেট এর সিন্সিনাটিতে হওয়া খেলায় তার ফাইনাল খেলা পরে ক্লিম ক্লিস্টারের সাথে। ভালো খেললেও হেরে যান তিনি। ক্লিম ক্লিস্টারের জেতে ২ -৬ , ৭ -৬ , ৬ -২ সেটে।
ইউএসএ-র এর ফ্লোরিডায় বাস করলেও বিশ্বের সবথেকে বেশি বেতনধারী মহিলা খেলোয়াড় সারাপোভা এখন নিউ ইয়র্কে। যেটি তার সবথেকে পছন্দের জায়গা খেলার এবং বেরানোর জন্য। সময় না থাকলেও সেন্ট্রাল পার্ক, সপিং আর তার কিছু ফেভারিট রেস্টুরেন্টে খেতে মিস করবে না তিনি। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, যখন ছোট ছিলাম, নিউ ইয়র্ক আমার কাছে মনে হত খুব ব্যস্ত আর বিরক্তকর একটা শহর, কিন্ত এখন আমি এটাকে ভালবাসি, আর ফিরে যেতে পছন্দ করি।
মারিয়া সারাপোভা ইউএনডিপি-র গুড উইল এমবাসেডর হিসেবে কাজ করছেন ২০০৭ সাল থেকে। গড়ে তুলেছেন, মারিয়া সারাপোভা ফাউন্ডশন। যে অর্থে সাহায্য করা হচ্ছে গোটা বিশ্বের দরিদ্র ছেলেমেয়েদের। ইউএনডিপি-র সঙ্গে সারাপোভা খুলেছেন মারিয়া সারাপোভা ফাউন্ডেশন স্কলারশিপ। এটি দেয়া হচ্ছে, চেরেনবিল এর ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কবলিত পরিবার সদস্যদের ছেলেমেয়েদের মধ্যে।
ইয়াদ মোর্শেদ জুয়েল