
FOR FONT RELATED ISSUES

এই রমজানে জাপানের ইসেহারায় নামাজের সময় (ইসলামিক ফাইন্ডার এর সৌজন্যে)
সময় লোড হওয়া পর্যন্ত অনুগ্রহপূর্বক অপেক্ষা করুন

আবারও ৯/১১ তে ইসলাম
আমেরিকার জনগণ যে ৯/১১ ঘটনাকে এখনো ইসলাম আর মুসলমানদের
কৃতকর্মের ফল হিসেবে দেখে তার প্রমান মিলছে খুব স্পষ্টভাবেই। যদি অবহিত না হয়ে থাকেন, তবে বলছি, “গ্রাউন্ড জিরো” মানে যেখানে ধসে পরে টুইন
টাওয়ার, তার কাছেই তৈরি হতে যাচ্ছে একটা মসজিদ, গ্রাউন্ড জিরো হতে দুই ব্লক দূরে। আর এ নিয়েই হইচই! শুধু হইচই
নয়, তুলকালাম ঘটে যাচ্ছে আমেরিকার মিডিয়াতে। আর এই তুলকালামে ঘি ঢালতে যুক্ত হয়েছে প্রেসিডেন্ট বারাক “হোসেইন” ওবামার সপ্মৃক্ততা। বড় বড় মিডিয়াগুলো বলছে
আমেরিকার জনগণ চায়না এই মসজিদ নির্মিত হোক, আর তাই যদি হয় তবে কিভাবে এই মসজিদের
নির্মান কাজের অনুমতি মিললো?
প্রথমেই আসি, কার উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে এই মসজিদ? ভয় পাবার
কিছু নেই, তালেবান, আলকায়দা বা হামাস গ্রুপের কেউ বানাচ্ছেন না এটা। আমেরিকার লিবেরাল মানে
উন্মুক্ত মনা এক মুসলিম ইমাম, যিনি উগ্র ইসলামপন্থীদের বিপরীত চিন্তাধারার, তার
পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি হবে এই ইসলামিক কালচারাল সেন্টারটি। তবে আমেরিকার বেশিরভাগ জনগণ ইসলামের এই
সহনশীল আর শান্তিময় রূপের সাথে পরিচিত নয়। তাই যাই হোক, গ্রাউন্ড জিরোর কাছে ইসলামিক সেন্টারকে চোরের
মায়ের বড় গলা হিসেবেই দেখছে তারা। খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা, যদি তারা এটা শক্ত ভাবে বিশ্বাস
করে যে আসলেই মুসলমান ধর্মের কেউ বা কারা ঘটিয়েছে ইতিহাসের এই ভয়াবহ হত্যাযোগ্য,
তবে তাদের প্রতি এরূপ ঘৃনা থাকাটাই কি সমীচীন নয়?
কিন্তু আমেরিকার প্রেসিডন্ট বারাক ওবামা দৃশ্যত চেষ্টা
চালাচ্ছেন তাদের জনগনের মন থেকে এরূপ ধারণা মুছে ফেলতে। মুসলমানদের সাথে সম্পর্কের উন্নতি ঘটাতে। আর তাই এই মসজিদ নির্মানে
বাধা দেননি তিনি। তার এই সিদ্ধান্ত আমেরিকার মূল ধারার সাথে মোটেও বেমানান নয়। আমেরিকার সংবিধান এমনটি বলে
যে, যেকোন ধর্মের যে কেউ আমেরিকার যে কোন জায়গাতেই তাদের এরকম ধর্মের সাথে
সম্পৃক্ত স্থাপনা তৈরি করতে পারে। তাই সাংবিধানিক ভাবে এটাকে বন্ধ করার কোন উপায় নেই
আমেরিকার সরকার বা জনগনের। তাই সরাসরি বিরোধিতায় না গিয়ে এবার আমেরিকার মিডিয়া (মূলত
রিপাবলিকান বাদীরা) আর অজ্ঞ জনগণ এবার এটাকে দেখছে তাদের অনুভুতির প্রতি আঘাত
হিসেবে। গ্রাউন্ড জিরোর
কাছে মসজিদ মানে খুনি সম্প্রদায়কেই পুরস্কার দেয়ার মতো, এমনটি বলছে তারা।
তবে পানি এর চেয়েও আরো অনেক দূর গড়িয়েছে, বারাক ওবামার এই
মসজিদ নির্মানের সমর্থনকে এবার ঘুরিয়ে দেবার পায়তারা চলছে অন্যদিকে। অনেকে বলছে বারাক ওবামার এই
মসজিদের প্রতি সহানুভুতির কারণ তার পূর্ব ইসলামিক পরিচয়। এরকমও শোনা যাচ্ছে যে বারাক ওবামা আসলে
মুসলমান। এর আগে জন এফ কেনেডিকে নিয়ে রটনা উঠেছিল যে তিনি বানাতে যাচ্ছে আমেরিকা থেকে
রোম পর্যন্ত একটা টানেল, আর ওবামা বানাবেন এই টানেল ইরান পর্যন্ত। হাস্যকর শোনালেও ওবামার ইমেজের
প্রতি এরকম কলংক লেপনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন অনেকেই। আমেরিকার জনগনের অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে আর
বারাক ওবামার অতীতকে রঙিন মোড়কে সাজিয়ে ওবামা বিরোধীরা এবার মাঠে নেমেছে বেশ জোরে সোরেই।
সত্যি কথা বলতে এটা আর কিছুনা, সামনে নির্বাচন, আর বারাক
ওবামার ইমেজ নষ্টকরাই এত কিছুর উদ্দেশ্য। এতে এবার বলির পাঠা হয়েছে আবারও ইসলাম আর মুসলমানেরা। সামনে ঈদুল-ফিতর। তারিখটা বেশ কাছেই পরে
যাচ্ছে ৯/১১ তারিখের। ওবামা বিরোধীদের বাড়াবাড়ি এখন এতটাই উগ্র যে কেউ কেউ বলছে আমেরিকার জনগণ যখন
শোক পালন করবে, মুসলমানরা তখন উদযাপন করবে তাদের আনন্দের উত্সব।
রেভলি ফর রেভলুশন।


DOWNLOAD SOLAIMANLIPI FONT
DOWNLOAD TEMPLATE WORD DOCUMENT

সাপ্তাহিক ইসেহারা সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে: MOZILLA FIRE FOX GOOGLE CHROME INTERNET EXPLORER 8

সর্বশেষ যে সময় আপডেট করা হয়েছে Monday, August 30, 2010 11:58:03 PM ( জাপান সময় )