এডভার্ড গ্রিগ, এক অনবদ্য সুর স্রষ্টা
অনেকেই না বলে পারেননি, যদি মার্ক টোয়েইন আর আলবার্ট আইনস্টাইন এর কোন সন্তান থাকত তবে ঠিক এডভার্ড গ্রিগের মতই দেখতে হতো। চেহারা দেখে আমিও প্রথমে ভিমরি খেলাম, আসলেই তো কোন ভুল নেই, কথা একদম ঠিক। কিন্তু চেহারার সামঞ্জস্য কোন দিক থেকেই শিল্পের সামঞ্জস্যের সাথে মিলতে পারেনি। গ্রিগ ঝড় তুলেছেন পিয়ানোর কিবোর্ড থেকে ভায়োলিনের তারে। আঠারোশ শতাব্দীর মাঝামঝি সময়ে পৃথিবীর বুকে পদার্পণ, আর পূর্ণ যৌবনে গেঁথে গেছেন একের পর এক সুরের জাদু।
আদালতে উকিল-ডাক্তার
সাধারণত ডাক্তার ও উকিলদের নিয়ে কটাক্ষ বা মজার কথা কম হয় না। আদালতে এদের মাঝে মাঝে মুখোমুখি হতে হয়। রোগের প্রকৃতির ব্যাখ্যা নিয়ে যখন উকিল ডাক্তারদের প্রশ্ন করেন তখন অনেক সময় দেখা দেয় বিপত্তি। নিচে তেমন কিছু কথোপকথন তুলে ধরা হল। উল্লেখ্য এই লেখা আন্তর্জাল থেকে নেয়া বিদেশের আদালতে সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখার অনুবাদ মাত্র, নিছক আনন্দ প্রদানের জন্য, কাউকে ছোট করার জন্য নয়।
জাপানে বসন্ত
গত মাসে কোন এক বুধবারে হঠাতই ইচ্ছে হলো ক্যামেরা নিয়ে বেরিয়ে পড়তে। সকালে শরীরটা বেশ খারাপ থাকায় আগে থেকেই আমার বসকে বলে অফিস থেকে ছুটি নিয়েছিলাম। দুপুর গড়িয়ে বিকেলের রোদ যখন রান্না ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি মারছিল, তখন শরীরটাও কেমন চাঙ্গা হয়ে উঠল। তার সাথে তখন চলছিল জাপানে চেরি ব্লসমের সময়, গত বছর ঠিক এই সময়েই যাই যাই করেও চেরি ব্লসমের উপর ছবি তোলার সেশনটা হাত ছাড়া করেছি, এ বছর তাই আর কালক্ষেপন করলামনা। আমার শহরের ভেতরেই একটা চমত্কার পার্ক আছে, নামটা ঠিক এই মুহুর্তে মনে পড়ছেনা তবে সেটা বেশ কাছেই আমার বাসা থেকে। আমার একমাত্র মাউন্টেন বাইকটাতে করে, সাথে ডি-৮০, নিকরের ৭০-২০০ মিমি এফ ২.৮ আর ট্যামরনের ১৭-৫০ মিমি এফ ২.৮ নিয়ে রওনা হলাম ফটোগ্রাফিক অভিযানে।
বিকেলের চমত্কার রোদ আর সন্ধ্যা হবার ঠিক আগের মুহুর্তে তোলা কিছু ছবি পাঠকদের শেয়ার করলাম:

