এডুইন হাবলের ভি-১

Source: Hubblesite.org
যদিও এ মহাবিশ্ব কোটি কোটি নক্ষত্রে ভরে আছে, তবুও জেনে অবাক হবেন যে নাসার হাবল টেলিস্কোপ এর জন্ম শুধুমাত্র একটা চলক তারকা থেকেই যা সেই ১৯২১ সালে রাতারাতি গতিপথ ঘুরিয়ে দেয় এই আধুনিক এস্ট্রোনমির। আর সেই সময় একজন বিখ্যাত জোতির্বিদ এর মনের কোন এক কোনে সামান্য একটু বিষাদ ভর করেছিল, এই ভেবে যে এতদিনের একটু একটু করে জমতে থাকা মহাজাগতিক ধারনাকে এই আবিস্কার একদমই পিষে ফেলেছে। সেই তারার নামটা হলো ভি-১, খবু সমান্য আর নিছক, বসে আছে ২০ লক্ষ আলোকবর্ষ দুরে, আমাদের ঠিক পাশেই এন্ড্রমেডা ছায়াপথের সীমানার কাছাকাছি। ভি-১ এমনি এক বিশেষ ধরনের নক্ষত্র যার সেই বিশেষ গুনটা আমাদেরকে গুনতে শিখিয়েছে মহাজাগতিক দূরত্ব গুলোকে।
স্বাগতম আল্ট্রা হাইডেফিনিশন এর জগতে
আপনার ঘরে যদি এখন ১০৮০ পি এইচ,ডি টিভি শোভা পায়, তবে নিশ্চিত করেই বলতে পারবেন যে আপনি এখনকার সময়ের সেরা মানের ছবি দেখতে পারছেন। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই আপনার মনে ধারণা জন্মাতে পারে এই সেরা মানের ছবি কতদিন টিকে থাকবে? ভাবনার তেমন কিছু নেই, কারণ খুব শীঘ্রই প্রযুক্তি জগতে এর চেয়ে ভালো মানের ছবির টেলিভিশন বাজারে আসছেনা। তবে প্রযুক্তিবিদেরা যে একদম বসে আছে, এমনটিও নয়। বর্তমানে ফুল এইচডি টেলিভিশনকে প্রতিস্থাপন করতে জোরে সোরে লেগে গেছে তারা, আর সে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে গেছে জাপানের এন,এইচ,কে কর্পোরেশন বেশ ভালো ভাবেই।
আসছে সেন্সরের দল!

আপনি যদি একটা স্মার্ট ফোনের গর্বিত মালিক হয়ে থাকেন তবে এতদিনে নিশ্চই বুঝে গেছেন কতটাই না স্মার্ট হতে পারে এই পিচ্চি ইলেকট্রনিক ডিভাইস গুলো। এটি বলে দিতে এই মুহূর্তের মধ্যেই আপনি ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন, কোন দিকে হাঁটা দিয়েছেন বা হাতের ফোনটাকে কিভাবে ধরে রেখেছেন। এই মন ভোলানো যাদুগুলো করতে আসলে আপনের ফোনের ভেতরটাকে ভরে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন রকম সেন্সর দিয়ে। এই সেন্সর গুলো এতটাই ছোট যে মাঝে মধ্যে এরা একটা কাগজের পাতার মতই পাতলা আকার ধারণ করে আপনরা ফোনের ভেতরে কাজ চালিয়ে যেতে পারে দিনের পর দিন।

