আমরি বাংলা ভাষা
বেশ কয়েকদিন দিন ধরে ইন্টারনেট জগতের খুঁটিনাটি নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে গিয়ে হঠাত করেই মনোযোগ গিয়ে পড়ল ডোমেইন নেমের উপর। নতুন প্রজন্মের অনেকেই হয়ত এই শব্দের সাথে খুব ভালভাবেই পরিচিত, কিন্তু যারা পরিচিত নন, তাদের বলছি, ডোমেইন নেম হচ্ছে সেই নাম যা আপনি আপানার ইন্টারনেট ব্রাউজারের এড্রেস বারে লিখে ঘুরেবেড়ান ইন্টারনেটের আনাচে কানাচে। যদি একটু গভীর ভাবে খেয়াল করেন তবে দেখবেন এখন অনেক বাংলা ওয়েবসাইট থাকলেও তাদের ঠিকানাটা এখনও এড্রেসবারে ঠিকই লিখতে হয় ইংরেজিতে। এর জন্য অবশ্য সেই ওয়েবসাইটকে কোন ভাবেই দায়ী করা যাবেনা কারন ইংরেজি ছাড়া অন্য কোন ভাষাতেই এখনও ডোমেইন নেম লিখে ব্রাউজ করা যায়না।
আইফোন ৫, এই এলো বলেই!
আইফন ৫ নিয়ে অনেক আগে থেকেই জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেলেও এর কাল্পনিক অংশের সিংহভাগ পার্থিব মুখ দেখতে শুরু করেছে জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে। এর আগে আইফোন ৫ আসলে দেখতে কেমন হবে তার বিভিন্ন কাল্পনিক মডেল ঘুরে বেড়িয়েছে ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইটে। আবার অনেকেই বলে বেড়িয়েছেন যে আইফন ৫ কে এপেল বের করতে যাচ্ছে অর্থনৈতিক ভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে, মানে আর কম দামে, মানের সাথে একটু মিলেমিশে। আসলে শেষ পর্যন্ত আইফনের কল্পনার স্রোত কোনদিকে গড়াল তা নিয়ে আসুন একটু দৃষ্টিপাত করি।
গুগল প্লাস, আবারো পুরনো ফ্লপ কৌশলে
এই সময়ে হঠাত করেই মনে পরে গেল জিমেইলের কথা, সেই প্রথম যখন জিমেইল বের হলো, সেই সময়ে ইমেইল জগতে রাজত্ব করে বেড়াচ্ছিল ইয়াহু আর হটমেইল। এই দুই প্রধান ফ্রি ওয়েব মেইল সেবা প্রদানকারীর মুল সমস্যা ছিল ওয়েব স্পেস নিয়ে, অর্থাৎ কয়েক মেগাবাইট ডাটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হত সবাইকেই। কিন্তু জিমেইল নিয়ে এল মেগাবাইট থেকে গিগাবাইট পর্যায়ে। আর গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের সাংঘাতিক জনপ্রিয়তার পর তাদের পক্ষ থেকে ওয়েব মেইল সেবার কথা শুনে সবাই অনেকটাই উত্তেজিত। কিন্তু আশায় গুড়ে বালি! জিমেইলে একটা একাউন্ট খুলতে লাগবে একজন বর্তমান ব্যাবহারকারীর নিমন্ত্রণ, আর কোথায় পাব সেই নিমন্ত্রণ? খুঁজতে খুঁজতে সবাই দিশেহারা, না পেয়ে অনেকটাই হতাশ, কিছুটা বিরক্ত!
স্পেল চেকার সহ এসেছে অভ্র কিবোর্ড
অভ্র কিবোর্ড তাদের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রেখেই এবার এনেছে তাদের এই সফটওয়্যার এর নতুন ভার্সন ৫.১, চমৎকার গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস ছাড়াও এতে এবার সংযুক্ত হয়েছে একটা স্পেল চেকার মডিউল যা কিনা আপনার লেখা বাংলা লেখাকে একদম নির্ভুল ভাবে ছাপানোর উপযোগী করে তুলবে নিমিষেই।
অভ্র কিবোর্ডের এই নতুন ভার্সন ডাউন-লোড করা যাবে এখান থেকে:
জবস আর সারা বিশ্ব
অবশেষে ক্যাপাসিটিভ টাচ স্ক্রিন আর তার সাথে মাল্টি টাচ জেসচার এর স্বত্ব পেয়েছে এপল কোম্পানি। এখন থেকে চার বছর আগে যখন প্রথম বের হয় আই-ফোন ঠিক সে সময় থেকেই এপল চেষ্টা করে আসছিল এই দুটি প্রযুক্তির স্বত্ব নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে আসতে, আর সেটি পেটে তাদের লেগে গেল চার চারটি বছর। কোন সন্দেহ নেই যে ক্যাপাসিটিভ টাচ স্ক্রিন স্মার্ট ফোন জগতে সাংঘাতিক রকমের তোলপাড় চালিয়েছে বিগত চার বছর। আপেলের প্রথম আই-ফোন বের হবার রীতিমত সোরগোল পেকে গিয়েছিল অন্য সব কোম্পানির মোবাইল ফোনে এই প্রযুক্তি সংযোজনের। আই-ফোন বের হবার এক বছর পর অর্থাৎ ২০০৮ সালে যখন প্রথম আসে এন্ড্রয়েড, তারাও এক লাফেই চলে আসে এই প্রযুক্তিতে, শুধু কি তাই? আই-ফোনের হুবহু মাল্টি-টাচ জেসচার তারা ঢুকিয়ে দেয় এন্ড্রয়েডের কর সিস্টেমে।



