বাণী
“সাপ্তাহিক ইসেহারা” তার যাত্রা শুরু করেছে শুনে আমি আনন্দিত। দূর প্রবাসে কর্মব্যস্ত জীবনের মধ্যে থেকেও কিছু উদ্যোগী দেশপ্রেমিক বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সাহিত্য নিয়ে চর্চা করছে, ভাবতেই ভাল লাগে। সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা মানব মনের নন্দনবৃত্তির বহিঃপ্রকাশ। আমি এ উদ্যোগ-কে সাধুবাদ জানাই ও এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করি। বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখতে সাপ্তাহিক ইসেহারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করুক – এই প্রত্যাশা রইল। সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছাড়াও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে তাঁদের লেখায় তুলে ধরবেন বলেও আমি আশা করি।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে শত কর্মব্যস্ততার মাঝেও যেন ভুলে না যাই যে আমরা আমাদের কর্মকান্ডের মাধ্যমে জাপান তথা বিশ্বের সামনে নিজের দেশকে তুলে ধরছি। সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকই বিদেশের মাটিতে দেশের এক এক জন প্রতিনিধি। শুধু নিজেদের মধ্যেই দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা অব্যাহত রাখলে হবে না বরং ভিনদেশে আমাদের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশ এবং বহির্বিশ্বের সাথে একটি বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন নির্মাণে যেন সাপ্তাহিক ইসেহারা অবদান রাখতে পারে সেদিকে সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানাই। এ উদ্যোগ যেন জাপানের গন্ডি ছাড়িয়ে তার বিস্তৃতি লাভ ঘটাতে পারে সেজন্যে শুভাশীষ রইল। বাংলাদেশ দূতাবাসের সকলের পক্ষ থেকে আমি সাপ্তাহিক ইসেহারা-র সাথে জড়িত সবার প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
এগিয়ে চলুক সাপ্তাহিক ইসেহারা দৃপ্ত পদক্ষেপে, এগিয়ে চলুক বাংলাদেশ।


